কুশের ভোটের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে বাংলা। ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসে পৌঁছেছে কেন্দ্র বাহিনী। কবে ভোট ঘোষণা হবে, এই নিয়ে জোর চর্চা চলছে।এই প্রেক্ষাপটে ভোটের দিনক্ষণ এর সম্ভাব্য সময়সূচী আগাম জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার আসাম এগিয়ে মোদি ইঙ্গিত দিলেন, মার্চের প্রথম সপ্তাহেই অসম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল ও পদুচেরিতে ভোটের দিন ঘোষণা হতে পারে। অপরদিকে, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।সেক্ষেত্রে কমিশনের আগে মোদি কিভাবে নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাব্য সময়সূচী নিয়ে কথা বললেন, তা নিয়ে জল্পনা উঠছে বিভিন্ন মহলে। এর আগে,বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইঙ্গিত দিয়ে নির্বাচন ঘোষণার সম্ভাব্য সময় সীমার কথা বলেছিলেন।
এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন,'আমি জানি, আপনারা সকলে নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছেন। গতবার যেহেতু বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়েছিল ৪ ই মার্চ। এবারও মার্চের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। আমাদের ধারণা ৭ ই মাছ ঘোষণা করা হতে পারে।'মোদি এদিন আরো বলেন, অসম পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরিতে যত বেশি পারব যাব।'

উল্লেখ্য, একুশের ভোটযুদ্ধে বাংলাকে পাখির চোখ করেছে BJP। একুশের ভোটে বাংলায় এবার তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ BJP। বাংলায় পরিবর্তনের পরিবর্তন এনে পদ্ম ফুল ফোটাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। অপরদিকে, পদ্ম শিবিরকে রুখে বাংলায় কুর্সি ধরে রাখতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির। এই পেক্ষাপটে রোজই শাসক-বিরোধী বাকযুদ্ধে সরগরম হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। ভোটের আগে প্রায়ই বাংলায় আসেন অমিত শাহ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, জে পি নাড্ডা প্রমুখরা। এই প্রেক্ষিতে 'বহিরাগত' তকমা দিয়ে সোচ্চার হয়েছে ঘাসফুল শিবির। বহিরাগতদের বাংলা দখল করতে দেওয়া হবে না বলে সড়ক হয়েছে স্বয়ং মমতা। 
কিন্তু ভারত থেকে বিজেপি সদস্যদের বহিরাগত তকমা কতটা ধোপে টেকে সেটা তো সময়ই বলে দেবে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন