তার পরই চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ হাইকোর্টে মামলা করেন। তাদের অভিযোগ, বেআইনিভাবে নিয়োগ চলছে। কোন মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। মামলাকারীদের এই আবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগে অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট। ৪ সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। ১৬ হাজার ৫০০ জন শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলো প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন