এদিন ফোনে দেবশ্রী বলেন, 'আমরা কেন্দ্রের অনেকের সঙ্গে দেখা হলো। ওরা হাতজোড় করে বলেছিলেন, আমায় দাঁড়ানোর জন্য। কিন্তু আমি আর চাইছি না। রায়দিঘির মানুষ কিন্তু আমায় ভালোবাসো। আমি সম্মানের সঙ্গে বড় হয়েছি ফলে কেউ অপমান করলে, আমর অসুবিধা হয়। খুব অপমানিত হয়েছি।' এরপর দেবশ্রী বলেন,' আমার হুমকি ফোন এসেছে। তৃণমূল একাংশ হুমকি ফোন দিচ্ছে। কয়েকজন চান না আমি বিধায়ক থাকি। সবটাই মাননীয়া কে জানিয়েছি।'তাহলে কি অন্য কোথাও থেকে দাঁড়াচ্ছেন? দেবশ্রীর জবাব 'সেটা জানি না এখনও।'
উল্লেখ্য রায়দিঘি তে দুবার নির্বাচনের দেবশ্রীর জয়লাভের নৈপথ্য নায়ক সুমন চট্টোপাধ্যায়, অত্যন্ত এমনটাই মনে করে রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। এদিকে ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বিজেপিতে যোগদানের দিন দিল্লিতে গেরিলা বাহিনীর সদর দপ্তরের দেবশ্রীর উপস্থিতিতে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজ্যনীতি। শোভন বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় দেবশ্রী ও সে দলে যোগ দেবেন বলে চর্চা শুরু হয়।দেবশ্রী বিজেপিতে যোগ দিলে তারা যোগ দেবেন না, বলে বিজিবি শীর্ষ নেতৃত্বকে শাখায় জানিয়ে দেন শোভন-বৈশাখী। এর জন্য চলে চরম টানাপোড়েন। অবশেষে,খালি হাতেই দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তর থেকে ফিরে আসতে হয় তাকে। আর গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেন শোভন- বৈশাখী।এই ঘটনা প্রবাহের পর থেকেই শোভন-বৈশাখী বনাম দেবশ্রী বাগ যুদ্ধের তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতি।
সম্প্রতি রায়দিঘির মাটিতে দাঁড়িয়ে বৈশাখী বলেছিলেন,'আপনাদের এই জায়গাটি নিয়ে মনে কষ্ট রয়েছে। এত খারাপ রাস্তা দিয়ে যখন আসছিলাম,ভাবছিলাম চারিদিকে উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার কথা ছিল। কিন্তু তাহলে এত অনুন্নয়ন এলো কোথা থেকে। ১০ বছরের জন্য আপনারা যাকে নির্বাচন করেছিলেন, তাকে আজকাল সিনেমার পর্দাতেও দেখা যায় না, আর রাজনৈতিক মঞ্চে দেখা যায় না।'এই প্রেক্ষাপটের রায়দিঘি থেকে ভোটের না-লড়ায় অনিচ্ছা প্রকাশ করলেন দেবশ্রী ভোট মুখী বাংলায় নয় মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:কয়লা কাণ্ডে অভিষেকের বাড়ি CBI

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন