চায়না এবং পাকিস্তানের যে সর্ম্পকে সব থেকে বেশি কাজ হয়েছে গত 5 বছরে । চায়না সরাসরি বলে দিল এবার পাকিস্তানে তাদের সেনা মোতায়ন করতে হবে তাছাড়া তারা মিছাইল ও লাগাতে পারে । গ্লোবাল টামস এর আর্টিকেল অনুয়ায়ী পাকিস্তানে বাস এ বোম ব্লাস্ট ঘটনায় চীনের 9 ইঞ্জিনিয়ার এর মৃত্যু হয়। আর সেই মৃত্যুর কারনেই চীন পাকিস্তানি মোতায়েন করতে চায় সেনা এবং মিসাইল।তবে এখানে চীন কেন তার সেনা এবং মিসাইল পাকিস্তানে ডিপ্লয় করতে চায় তার ফলে চীন এবং পাকিস্তান কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে?
১৪ জুলাই ডাসু ড্যাম যেটি আন্ডার কনস্ট্রাকশন একটি ড্যাম, এর উদ্দেশ্যে যাওয়া একটি পাকিস্তানি বাস, যে বাসে 40জন চায়নিজ ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। হঠাৎ বিস্ফোরণে 12 জন বাস যাত্রী নিহত হন এবং কিছু বাস যাত্রী আহত হন। এখানে ইসলামাবাদ এই ঘটনাকে "গ্যাস লিক" বলে চালালেও, চায়না মানতে নারাজ। এরপর চায়না পাকিস্তানের উপর বিশ্বাস না করে তাদের ইনভেস্টিগেশন টিম পাঠানোর কথা বলে। আর যখনই চীন-পাকিস্তান কে তদন্তকারী টিম পৌঁছায়। তখন পাকিস্তান বুঝতে পারি তারা কোনোভাবেই মিথ্যে কথা বলতে পারে না চিনের সাথে। এখানে কোনো রকম ভাবে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয় পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাদের কি স্বীকার করতেই হবে যেখানে এখানে আতঙ্কবাদী দের হামলা হয়েছে। আর আপনাদের ইঞ্জিনিয়ার আমাদের দেশে মারা গিয়েছে।
ওয়ার্ল্ড নিউজ এর আর্টিকেল অনুযায়ী 15 জুলাই পাকিস্তান স্বীকার করে যে 9 জন চাইনিজ ইঞ্জিনিয়ার বাস বোম ব্লাস্টে এ মারা গিয়েছে। তবে বুঝতে পারলেন চাইনিজ অফিশিয়ল দের জন্য এটা কতটা হতাশাজনক। কিছুদিন ধরেই চাইনিজ গভর্মেন্ট থেকে কথা বলা হচ্ছে পাকিস্তানি সরকার এর সাথে তবুও বারবার অস্বীকার করা হচ্ছে, বারবার বলা হচ্ছে যে এটা গ্যাস লিকের কারণে হয়েছে । শেষমেষ চায়না গভর্মেন্টের যাতে পড়ে মুখ খুললো পাকিস্তান। গ্লোবাল টাইম এর একটি তথ্য নয় পাকিস্তান স্বীকার করে নিয়েছে যে এটি একটি টেরোরিস্ট অ্যাটাক। চাইনিজ প্রধান Li Kewiang বলেন ফোন করি ইমরান খানকে বলেন উপর থেকে নিচে পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক করতে যেন দ্বিতীয়বার বোম ব্লাস্ট জাতীয় কোনরকম সমস্যা না ঘটে।
The shuttle bus blast in #Pakistan is confirmed as a #terrorist attack, and Chinese Premier Li Keqiang urged authorities in Pakistan to bring the perpetrators to justice in a phone call with Pakistani PM Imran Khan. pic.twitter.com/8TpvSrQGR0
— Global Times (@globaltimesnews) July 16, 2021
Global Times সেটি চাইনিজ গভর্মেন্টের প্রকাশিত সংবাদপত্র বলাই চলে তার এডিটর Hu Xijin লেখেন চাইনিজ গভর্মেন্ট তরফ থেকে লেখেন, যদি পাকিস্তানে টেরোরিস্ট কে দমন করার মতো ক্ষমতা না থাকে তার দেশে তবে, পাকিস্তানের সাথে আলোচনার পর তারা সৈন্য এবং মিছাইল স্থাপন করতে পারে পাকিস্তানে।
![]() |
| Twitter are Deleted |
এটি শুরু পাকিস্তানের নব্য উপনিবেশবাদ (Neo Colonialism) এর। এমন না যে চীন আজ বললো আর কাল তারা মিসাইল স্থাপন করবে পাকিস্তানে। তবে এক থেকে দুই বছরের মধ্যে দেখা দেবে পাকিস্তানে চীনের সেনার বাড়বাড়ন্ত এবং তৃতীয় বছর মিসাইল ও স্থাপন করে দেবে পাকিস্তানে কে এটা বুঝিয়ে যে , এতো চায়না করছে আতঙ্কবাদী তে রুখতে । দ্যা ইকোনমিক টাইমস এর রাপোর্ট অনুয়ায়ী pok অর্থাৎ পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের দেখা মিলছে চাইনিজ সেনা। টাইমস নাউ রাপর্টে বলছে চায়না-পাকিস্থান সেনার যৌথ উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে একটি নতুন মিলিটারি ইউনিট। যাদের নাম হচ্ছে High Altitude Warfare Battalions (SHAWBS)। যদি পাকিস্তানকে হাই অল্টিটিউডে ভারত কে আক্রমণ করতে হয় তার প্রশিক্ষণ চীন দিচ্ছে পাকিস্তানকে। আর সেই জন্য একটি নতুন মিলিটারি ইউনিট বানাচ্ছে।
এখানে দেখতে গেলে, অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আছে চীনের পাকিস্তানি সেনার উপর। পাকিস্তানকে অগ্নি অস্ত্র চীন সাপ্লাই করে। কিছু কিছু সময় ফ্রি ও দিয়ে দেন। তাহলে বিশেষ কোনো বড় কথা নয় যে চীনা সেনা পাকিস্তানকে কিছুদিনের মধ্যেই নিজের আঙুলের ডগায় নাচাবে। তবে সেটা এখানে বড় কথা নয় এই প্রজেক্টে এত ইঞ্জিনিয়ার এবং কর্মকর্তা আর কর্মকর্তাদের সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা চিনা এবং পাকিস্তানী সৈনিক তাদেরকে খরচা কে উঠাবে? যেখানে পাকিস্তান সরকারের খরচা অনেকটা বেশি বেড়ে যাবে । চাইনিজ সেনারা তাদের প্রাপ্য বুঝে নিতে পাকিস্তান সরকারের উপর চাপ বাড়াবে। আর তখনই মনে হতে পারে ইমরান সরকারের cpec project কতটা ব্যায়বহুল।
আরও পড়ুন:পুরো আফগানস্থান একে একে দখল করছে তালিবান, তাতে বাঙ্গালীদের কি?
এটা তো আমরা কথা বললাম সেনা নিয়ে। তবে কথা বলা এবার মিসাইল নিয়ে। হিন্দুস্থান টাইমস এর আর্টিকেল অনুয়ায়ী চায়নার দেওয়া নাম 'anti-terrorism- operation- missiles' যেটিকে ছাট করে AR-2 মিছাইল ও বলা হয় । এই মিছাইল কে চায়না বিক্রি করার খুব চেষ্টা করা সত্বেও কোন দেশ এর প্রতি খুব একটা আকর্ষণ অনুভব করে নি। আর এখানে চায়না AR-2 মিছাইল চায়না পাকিস্তানে স্থাপন করবে যার কারনে তার অ্যাডভার্টাইজমেন্ট হবে জোর কদমে । যার ফলে সাউথ এশিয়া সহ আফ্রিকার দেশগুলিতে বিক্রি করার চেষ্টা করবে । চায়না তার আক্রমন নিতিকে এভাবেই বলবং করবে তারা চায় , তার স্মরণে আশা দেশগুলিকে আস্তে আস্তে গিলে খেতে । যেমন একটি বিরাট তিমি ছোট মাছ কে গিলে খায় সেই প্রদ্ধতি অবলম্বন করে ক্রমে ক্রমে পাকিস্তানকে গিলছে চায়না। তবে পাকিস্তান কত সর্বস্বান্ত হবে ততোই ভারতের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দেবে। হুমকি এবং ত্রাস হয়ে দাঁড়াবে ভারতের কাছে।
আরও পড়ুন:রাশিয়া ঘোষণা করেছে যে তারা আফগানিস্তানের তালিবানদের বিরুদ্ধে ভারতকে সাহায্য করবে না
সূত্র-গ্লোবাল টামস/দ্যা ইকোনমিক টাইমস/ওয়ার্ল্ড নিউজ


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন