তার ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে জল্পনা চলছিল পুরোদমে। বৃহস্পতিবার হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশনার এর চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকে জল্পনা বেড়েছে কয়েক গুণ। আর শুক্রবার প্রথমে রাজ্য সরকারের দেওয়া নিরাপত্তাও ছাড়লেন এবং তারপরে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। অর্থাৎ তৃণমূলের সঙ্গে তার সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে নিবেন শুভেন্দু। সূত্রে খবর, মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও খুব শীঘ্রই মন্ত্রিত্ব ছাড়তে পারেন। HRBC এর চেয়ারম্যান পদ থেকে বৃহস্পতিবার ইস্তফা দেওয়ার পর তার জায়গায় হুগলি সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি ওই পদে নিয়োগ করা হয়েছিল। কল্যান আগেও এই পদে ছিলেন। ঔ শুভেন্দু জায়গায় কল্যাণে নিয়োগকেও রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছিল অনেকে। তৃণমূলে কল্যানই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অতীতে সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছেন। তাকে প্রকাশ্যে বেইমান সাব্যস্ত করতেও তিনি পিছপা হননি। আর সেই কল্যাণকে তার পদে নিয়োগ করার ফলে শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বাড়তি স্পষ্ট ছিল বলে অনেকের ব্যাখ্যা। সেটা একরকম শুভেন্দুুর প্রতি অপ্রসন্ন তারেই প্রকাশ। যদিও শুভেন্দু দিন কয়েক আগেও বলেছিলেন,'মুখ্যমন্ত্রী আমায় তাড়াননি, আমি কোথাও যাইনি।' কিন্তু সেই ফাটল আর জোড়া লাগলো না। উল্লেেখ করা যায়, সাত-আট মাস ধরেই প্রশাসনিক কাজে পরিবহন ও সেচমন্ত্রী শুভেন্দু সক্রিয়তা একেবারেই কমে গিয়েছিল। অফিসেও বিশেষ আসতেন না। শেষবার ঘূর্ণিঝড়  উম্পুনের  পরই কেবল তাক প্রশাসনিক কাজে দিঘা ও সুন্দরবন দেখা গিয়েছে। অবশ্য তারপরে অনেক সভা-সমিতির তিনি করেছেন। কিন্তু তৃণমূলের পতাকা হাতে নিতে তাকে  দেখা যাইনি ।  

আরও পড়ুন: জেল থেকে সুদীপ্ত সেনের বিস্ফোরক চিঠি, সারদা কেলেঙ্কারিতে মাস্টারমাইন্ড কে! এমনকি ,দলের  রেওয়াজ অনুয়াযী তাঁর সভায় মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়ের কোন ছবি দেখা যাই নি। প্রকাশ্যে দলকে এড়িয়ে  চলার চেষ্টা শুভেন্দুর আচারনে প্রকাশ পাচ্ছিল।জলপনা শুরু হয়ে গিয়েছে তিনি নাকি BJP তে যোগদান করছেন, কিন্তু সেটাতো সময়ই বলে দেবে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন